শনিবার (২৯ মার্চ ২০২৫) বাদ আসর জামালপুর মেডিকেল কলেজ মাঠে বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন।
প্যালিয়েটিভ কেয়ার হলো মরণাপন্ন রোগীরদের সেবা করা। বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাব সদস্যদের মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় উৎসাহিত করে থাকে। স্যারের আলোচনার কিছু অংশ নিম্নরূপ:
প্যালিয়েটিভ কেয়ার কী?
মরণশীল মানুষের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা হচ্ছে প্রচলিত চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য নহে এমন রোগীদের সেবা দেয়ার বাস্তব সম্মত সিস্টেম, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগী এবং রোগীর পরিবারের লোকদের জীবনের গুণগতমানকে উন্নত করা। সুনিষ্টভাবে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের উদ্দেশ্য হচ্ছে:
- আসন্ন মৃত্যুকে জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে মেনে নিয়ে মৃত্যুকে তরান্বিত বা বিলম্বিত না করা। এক্ষেত্রে রোগীকে শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক, সামাজিক এবং দর্শনগত সহয়তা করা।
- রোগী এবং তার পরিবারকে মৃত্যু পূর্ববর্তী প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা করা।
- মৃত্যু পরবর্তী রোগীর পরিবারের শোকের দিনগুলোতে মানসিক এবং অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা।
কমিউনিটি ভিত্তিক প্যালিয়েটিভ কেয়ার কাদের দেয়া হবে?
- মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীরা (Terminal illnesses)।
- বার্ধক্যজনিত রোগে বিছানায় পড়া ব্যক্তি।
- মরণাপন্ন ও শয্যাশায়ী রোগীরা, যাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
- হত-দরিদ্র রোগীরা, যারা প্রচলিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে সক্ষম নয়।
- শিশুদের বিকাশজনিত, ব্যাধির এবং দূরারোগ্য রোগী (যদি প্রশিক্ষিত জনবল থাকে)।
এই উদ্যোগে জড়িত তরুণদের কী কী লাভ হতে পারে?
- নিজের পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনের জীবন সায়ান্নের রোগীর পরিচর্চা করার স্কিল বা যোগ্যতা তৈরির সুযোগ।
- গবেষণা, বিদেশে স্কলারশীপ এবং ক্যারিয়ার গঠনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
•রোগীর সেবা করার মাধ্যমে কার্যকরি দাওয়াহ ওয়ার্কে জড়িত হওয়ার অপূর্ব সুযোগ। - সামাজিক কাজে জড়িত হওয়ার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক আত্মতৃপ্তি অর্জন।
- বড় নেটওয়ার্কে জড়িত হওয়ার সুযোগ।
- বিভিন্ন ধরণের ট্রেইনিং লাভের সুযোগ।


